Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

একুশে, মাতৃভাষায় মার্কসবাদ চর্চা

টিম মার্কসবাদী পথ
তবে শুধুমাত্র ভাষার সংগ্রাম বা জাতীয় সংগ্রাম বললে একে রাজনৈতিক ভাষায় বুর্জোয়া বা পেটিবুর্জোয়া সংগ্রাম বলে চিহ্নিত করতে হয়। আসলে একুশের সংগ্রামের মধ্যে, একুশের চেতনার মধ্যে অনেক বেশি ছিল বামপন্থার উপাদান। একুশের সংগ্রাম, ভাষা আন্দোলন যারা তৈরি করেছিলেন, তাদের মধ্যে কমিউনিস্টরাই ছিলেন নেতৃত্বে। সেকারণে ভাষা আন্দোলনে ছিল না উর্দু বিদ্বেষ। এব্যাপারে নিষিদ্ধ কমিউনিস্ট পার্টি ছিল খুবই সচেতন। কমিউনিস্টরা আন্তর্জাতিকতাবাদী। আত্মগোপনে থাকা কমিউনিস্টরা সচেতন ছিলেন, যাতে এই আন্দোলন উগ্র জাতীয়তাবাদে রূপ না নেয়। তাই ভাষা আন্দোলনের দাবি ছিল উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
Twenty first, Marxism study

কাল একুশে। একুশে ফেব্রুয়ারি। 

একুশে: ভাষা দিবস। ২০০০ সাল থেকে ইউনেস্কো-র স্বীকৃতি। এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের শহীদরা হয়ে উঠেছেন বিশ্বের প্রতিটি বর্ণমালার পাহারাদার। এবারে তার বাহাত্তর বছর।

একুশে: কমিউনিস্ট পার্টির ইশ্‌তেহারের প্রথম প্রকাশ। এবারে তার ১৭৬।

এই দুই মিলিয়েই একুশে রেড বুকস ডে। মাতৃভাষায় মার্কসবাদ চর্চা। 

লেফট পাবলিশিং হাউস-এর ডাকে গোটা বিশ্বের সঙ্গে এদেশেও দিনটি পালন করার আহ্বান জানিয়েছে সিপিআই(এম)। এবারে, রাজ্যে পার্টিকর্মীদের চর্চার বিষয় বিজয় প্রসাদের নেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে আইজাজ আহমেদের রচিত দ্য পলিটিক্যাল মার্কস। আরও নির্দিষ্ট করে বললে বইটির জার্মান আইডিওলজি অথবা কমিউনিস্ট ইশ্‌তেহার। প্রথম দু’টি অধ্যায়ের যে কোনও একটি। বইটি গতবছরই মুজফ্‌ফর আহ্‌মদ স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছে। তারই ভাষান্তর প্রকাশ করছে মার্কসবাদী পথ– রাজনৈতিক মার্কস

সাধারণভাবে মার্কসকে তাঁর অর্থনৈতিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে সংকীর্ণভাবে দেখা হয়। অথচ, মার্কসের রাজনৈতিক লেখাগুলি হলো তাঁর বিপ্লবী দৃষ্টিভঙ্গি উপলব্ধির মূল চাবিকাঠি। দ্য জার্মান ইডিওলজি, কমিউনিস্ট ইশ্‌তেহার, ল্যুই বোনাপার্টের অষ্টাদশ ব্রুমেয়ার এবং ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ। মার্কসের এই চারটি ধ্রুপদী অনন্য কাজ নিয়ে আলোচনা করেছেন আইজাজ। আমাদের প্রজন্মের একজন প্রকৃত মার্কসবাদী চিন্তক। একাধারে সাহিত্যের তাত্ত্বিক, উপনিবেশবাদী চিন্তার সমালোচক, ইতিহাসবিদ এবং পরিচিতিসত্তার অনুসন্ধানকারী। যাঁর ধ্রুপদী বিশ্লেষণ, ‘উত্তর-মার্কসবাদ ‌আসলে প্রাক্‌-মার্কসবাদ ছাড়া আর কিছুই নয়, মার্কসকে অতিক্রম করে ভাববাদে প্রত্যাবর্তন।’ 

ব্যাটেল অব আইডিয়াস

শুরু ২০২০ থেকে। প্রথমবারই পালিত হয় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ভেনেজুয়েলায়। নেপালি ভাষায় নেপালের পাহাড়ে তা যেমন পড়েছেন কমিউনিস্ট পার্টির কৃষক সংগঠনের কর্মীরা, তেমনই পর্তুগিজ ভাষায় পড়েছেন ব্রাজিলের ল্যান্ডলেস ওয়ার্কার্স মুভমেন্ট-এর কর্মীরা। স্প্যানিশ ভাষায় যেমন পড়া হয়েছে কিউবার স্টাডি সার্কেলে, তেমনই সেই প্রথম সেসোথো ভাষায় (দক্ষিণ আফ্রিকার ১১টি সরকারি ভাষার একটি)। গায়েলিক ভাষায় যেমন পড়া হয়েছে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে কনয়ে বুকসে, তেমনই লেবাননের বেইরুটের কাফেতে আরবি ভাষায়।

শুরুর এই ভাবনাটা ছিল দিল্লির বামপন্থী লেফটওয়ার্ড বুকসের। সঙ্গে ছিল বাংলার ন্যাশনাল বুক এজেন্সি, তামিলনাডুর ভারতী পুথাকলম, কেরালার চিন্তা, অন্ধ্রের প্রজাশক্তি, তেলেঙ্গানার নব তেলেঙ্গানা এবং বাম প্রকাশনা। লক্ষ্য ছিল একুশে দিনটি জায়গা করে নিক বিশ্বের বার্ষিক সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে। সেই লক্ষ্যেই ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব লেফট পাবলিশার্স-এর উদ্যেগে বিশ্বের বামপন্থী প্রকাশকদের নিয়ে গঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব লেফট পাবলিশার্স (আইইউএলপি)। এখন ইন্দোনেশিয়া থেকে কিউবার পঞ্চাশটির বেশি বামপন্থী ও প্রগতিশীল প্রকাশক এর সঙ্গে যুক্ত। গত চারবছরে আইইউএলপি যৌথভাবে প্রকাশ করেছে চারটি বই: লেনিন ১৫০, মারিয়েতেগুই, চে এবং প্যারি কমিউন ১৫০। প্যারি কমিউনের ১৫০-তম বার্ষিকীতে সাতাশটি প্রকাশনা সংস্থা একই দিনে একাধিক ভাষায় প্রকাশ করেছে একই বই। যা প্রকাশনার ইতিহাসে নজিরবিহীন।

১৯৯৯, কারাকাসে গিয়ে ফিদেল বলেছিলেন: ‘মারাত্মক শক্তিশালী সাম্রাজ্য’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘অবিরাম মতাদর্শগত যুদ্ধ চালাচ্ছে তাদের সমস্ত সম্পদ’ নিয়ে। আমাদের ‘জনগণকে তাই ন্যায্য মতাদর্শে সশস্ত্র করতে হবে।’ মানবতা রক্ষায় ও বর্বরতার বিরুদ্ধে নিরন্তর চালাতে হবে ব্যাটেল অব আইডিয়াস, মতাদর্শের সংগ্রাম।

একুশে ভাষা আন্দোলন

একুশের সংগ্রাম থেকেই বাঙালির জাতীয় চেতনার উন্মেষ। পরিণতিতে একাত্তরে মহান সশস্ত্র সংগ্রাম। স্বাধীন বাংলাদেশ।

তবে শুধুমাত্র ভাষার সংগ্রাম বা জাতীয় সংগ্রাম বললে একে রাজনৈতিক ভাষায় বুর্জোয়া বা পেটিবুর্জোয়া সংগ্রাম বলে চিহ্নিত করতে হয়। আসলে একুশের সংগ্রামের মধ্যে, একুশের চেতনার মধ্যে অনেক বেশি ছিল বামপন্থার উপাদান। একুশের সংগ্রাম, ভাষা আন্দোলন যারা তৈরি করেছিলেন, তাদের মধ্যে কমিউনিস্টরাই ছিলেন নেতৃত্বে। সেকারণে ভাষা আন্দোলনে ছিল না উর্দু বিদ্বেষ। এব্যাপারে নিষিদ্ধ কমিউনিস্ট পার্টি ছিল খুবই সচেতন। কমিউনিস্টরা আন্তর্জাতিকতাবাদী। আত্মগোপনে থাকা কমিউনিস্টরা সচেতন ছিলেন, যাতে এই আন্দোলন উগ্র জাতীয়তাবাদে রূপ না নেয়। তাই ভাষা আন্দোলনের দাবি ছিল উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

ভাষার সঙ্গে আছে শ্রেণির সম্পর্ক। ভাষা আন্দোলনেরও আছে শ্রেণি বৈশিষ্ট্য।

ভাষা আন্দোলনে সাড়া দিয়েছিলেন বাংলার কৃষক সমাজ। না হলে এই আন্দোলন এতো জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারতো না। ১৯৫৪’র নির্বাচনে হতো না মুসলিম লিগের ভরাডুবি।

ভাষার দাবিতে শুরু হলেও প্রকৃতপক্ষে সেই আন্দোলন ছিল মুসলিম লিগ ও পাকিস্তান সরকারের সামগ্রিক শোষণ নির্যাতনের বিরুদ্ধে শ্রমিক কৃষক মধ্যবিত্তের এক ব্যাপক আন্দোলন।

একুশে, ইশ্‌তেহারের প্রথম প্রকাশ

নভেম্বর, ১৮৪৭: কমিউনিস্ট লিগের দ্বিতীয় কংগ্রেস থেকে ‘পার্টির তত্ত্বগত ও বাস্তব কর্মসূচী বিস্তৃতভাবে রচনা করা ও প্রকাশ করার’ (কমিউনিস্ট পার্টির ইশ্‌তেহার তৈরির) দায়িত্ব দেওয়া হয় মার্কস-এঙ্গেলসকে। কংগ্রেস শেষ হওয়ার পর ডিসেম্বরে মার্কস ফিরে যান ব্রাসেলসে। আর এঙ্গেলস প্যারিসে। তাঁদের উপর দায়িত্ব ছিল– একসঙ্গে বসে লিগের একটি কর্মসূচী রচনা করা– দূরে থাকার কারণে তা পালনে সমস্যা হয়। শেষে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে বছর ঘুরতেই জানুয়ারির শেষে লন্ডনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের থেকে মার্কস পান তাগাদাপত্র। যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব পাঠাতে হবে পাণ্ডুলিপিটি, নতুবা ‘তাঁর বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ চিঠিটি যখন পৌছয়, পাণ্ডুলিপিটি অবশ্য তার আগেই পাঠানো হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে তা লন্ডনের পথে। লন্ডনের বিশপগেটে ৪৬ লিভারপুল স্ট্রিটের ছোট্ট একটি ছাপাখানায় ছাপানো হয় সেই পাণ্ডুলিপি।

একুশে ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৮। প্রকাশিত হয় ২৩-পাতার একটি ছোট্ট সাদাসিধে চেহারার পু্স্তিকা: কমিউনিস্ট পার্টির ইশ্‌তেহার। ভ্লাদিমির লেনিনের ভাষ্যে: ‘প্রতিভাদীপ্ত স্বচ্ছতা ও উজ্জ্বলতায় এই রচনাটিতে উপস্থাপিত হয় এক নতুন বিশ্ববীক্ষা– সমাজ জীবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সুসংগত বস্তুবাদ বিকাশের সবচেয়ে সর্বাঙ্গীন ও সুগভীর মতবাদ– দ্বান্দ্বিকতা, শ্রেণিসংগ্রামের তত্ত্ব এবং নতুন কমিউনিস্ট সমাজের স্রষ্টা প্রলেতারিয়েতের বিশ্ব-ঐতিহাসিক বিপ্লবী ভূমিকা।’

এই কাজ মার্কস-এঙ্গেলসের সৃষ্টি হলেও, তার একটি অংশ এঙ্গেলসের কমিউনিজিমের নীতি বইটির ভিত্তিতে তৈরি হলেও, মার্কসই দিয়েছেন এর ভাষা ও ভার। ইশ্‌তেহারের খসড়া পাণ্ডুলিপিটির একটি মাত্র পাতা খুঁজে পাওয়া যায়। তাতে দেখা যায় এই ক্ষুদ্র পুস্তিকাকে কমিউনিস্ট পার্টির দিকদর্শন যন্ত্রে পরিণত করতে মার্কস কী অক্লান্ত পরিশ্রমই না করেছেন। সঠিক শব্দ, বাক্য ও অনুচ্ছেদের জন্য তাতে অসংখ্য কাটাকুটি।

বাংলায় মার্কসবাদ চর্চা

১৫ আগস্ট, ১৮৭১। প্যারি কমিউনের বছর। ভ্লাদিমির লেনিন তখন ন’মাসের শিশু। এই কলকাতা শহর থেকেই মার্কসের তৈরি প্রথম আন্তর্জাতিকের কাছে চিঠি। ভারতে একটি শাখা খোলার জন্য আবেদন। বৈঠক থেকে চিঠির ইতিবাচক উত্তর দেওয়ার জন্য সম্পাদককে নির্দেশ। 

১৯০৯, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতী পত্রিকায় নির্বাসিতের ডায়েরি শীর্ষক একটি লেখায় উল্লেখ করেন মার্কসের নাম। গবেষক চিন্মোহন সেহানবীশের মতে ‘সম্ভবত এটাই বাংলা ভাষায় মার্কসের প্রথম উল্লেখ’। তবে ইংরেজিতে এদেশে মার্কসের নামের উল্লেখ পাওয়া যায় আরও আগে। প্রথমে ১৮৮২-তে, যোগেন্দ্রচন্দ্র ঘোষের লেখায়, ক্যালকাটা রিভিউ পত্রিকায়। পরে ১৯০৩ সালে, বাংলা থেকে প্রকাশিত অমৃতবাজার পত্রিকায়। ১৯২৫, প্রথম প্রকাশিত হয় লাঙল পত্রিকা। সেখানেই বাংলা ভাষায় কার্ল মার্কস শিরোনামে প্রথম রচনা প্রকাশিত হয়। লেখেন দেবব্রত বসু। একই বছরে, কার্ল মার্কসের শিক্ষা শিরোনামে প্রকাশিত হয় আরেকটি লেখা। লেখক কুতুবউদ্দীন আহমদ। 

পরের বছর আগস্টে পত্রিকার নাম পরিবর্তন হয়ে হয় গণবাণী। এই গণবাণী পত্রিকার প্রথম সংখ্যা থেকেই বের হতে শুরু করে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো-র ভাষান্তর। অনুবাদক ছিলেন ঠাকুর পরিবারের সন্তান, রবীন্দ্রনাথের ভ্রাতুষ্পুত্র সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর। যদিও অনুবাদক হিসাবে কোনও নাম ছিল না। সম্ভবত, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। পরপর প্রথম চারটি কিস্তিতে শিরোনাম ছিল কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো। তবে লেখকের বিদেশ যাত্রার কারণে ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে। তাই পঞ্চম কিস্তির লেখাটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালের ১৪ জুলাই। এটি ছিল গণবাণী-র ২২তম সংখ্যা। এবারে শিরোনাম হয় সাধারণ স্বত্ববাদীর ইস্তাহার। শেষ কিস্তিটি প্রকাশিত হয় ২১ জুলাই। ভাষান্তরের কাজ শেষ হলে ১৯৩০ সালে এটি প্রকাশিত হয় বই আকারে। ৬নং রমানাথ মজুমদার স্ট্রিট থেকে। প্রকাশকের ভাষ্যে, ‘এইরূপ একটি পুস্তক বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হয়ে প্রচারিত হওয়ার একান্ত প্রয়োজন ছিল। কমরেড সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর সে ভার স্বীয় হস্তে গ্রহণ করে ও কঠোর পরিশ্রম স্বীকার করে সে অভাব দূর করেছেন। ... আমি পাঠকবর্গের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, কমরেড সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন কমিউনিস্ট বা সাধারণ স্বত্ববাদী।’ 

কোথায় ভলগা, আর কোথায় আত্রেই! 

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কয়েকবছর পরের ঘটনা। আত্রেই নদীপথে শিলাইদহ পতিসর যাওয়ার পথে রবীন্দ্রনাথ-পুত্র রথীন্দ্রনাথের একটি অভিজ্ঞতা। রথীন্দ্রনাথ লিখছেন পিতৃস্মৃতি-তে।পাকা দাড়িওয়ালা এক গ্রামবৃদ্ধ হটাৎ দাঁড়িয়ে উঠে বললেন, ‘বাবুমশাই, স্বদেশী ছোঁড়ারা দেশের উন্নতি নিয়ে লম্বা-চওড়া বক্তৃতা দেয় শুধু। আসল কাজের বেলা কারো টিকিটুকু দেখবার জো নেই। হ্যাঁ, লেনিনের মতো একজন লোক দেশে জন্মাত, দেখতেন সব ঠিক হয়ে যেত।’


প্রকাশের তারিখ: ২০-ফেব্রুয়ারি-২০২৪
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নানা প্রসঙ্গ বিভাগে প্রকাশিত ১০১ টি নিবন্ধ
১০-জানুয়ারি-২০২৬

২১-ডিসেম্বর-২০২৫

২০-ডিসেম্বর-২০২৫

১৩-ডিসেম্বর-২০২৫

২৫-নভেম্বর-২০২৫

২০-অক্টোবর-২০২৫

১৬-অক্টোবর-২০২৫

০৮-সেপ্টেম্বর-২০২৫

২৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৫

০৫-ডিসেম্বর-২০২৪