Latest Edition

সাম্প্রতিক সংখ্যা

Latest Edition

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
Latest Edition


Donate Now আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay

কমিউনিষ্ট পার্টি ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য সংগ্রাম (প্রথম পর্ব)

ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ
মাদ্রাজের ডাককর্মীরা যে সম্বর্ধনার আয়োজন করেন, সে সম্বর্ধনার উত্তরে এক ভাষণে বলেন: "আট ঘণ্টা কাজের পর যে ডাককর্মী ঘরে ফেরেন, তিনি রাত ১১টার আগে লেখা-পড়ার কাজ শুরু করতে পারেন না। স্বভাবতঃই তার স্বাস্থ্য দিনে দিনে ভেঙ্গে পড়ে। তাছাড়া ডাককর্মী যে গল্পই লিখুন, সেটাই তাকে সুপারিন্টেন্ডেন্টের মারফত পোষ্টমাষ্টার জেনারেলের কাছে দাখিল করতে হয়, যাতে গল্পটি ছাপানোর অনুমতি মেলে।” শ্রীমহম্মদের ধৈর্য ও প্রতিভা প্রশংসনীয় যে এই সব বাধা অতিক্রম করে কেরালার অন্যতম লেখক ও শিল্পী হয়ে উঠেছেন।
struggle for the communist part and cultural progress - I

সেটা ছিল ১৯৫১ সাল। ত্রিবাস্কর-কোচিনে তখন কমিউনিষ্ট পার্টির নির্বাচনী প্রচার চলছিল। পুনালুরে একটি নির্বাচনী সভায় স্থানীয় কাগজকলের একটি তরুণ শ্রমিক সংগঠকদের কাছে অনুরোধ জানাল, তাকে একটা গান গাইতে দেওয়া হোক। সংগঠকরা কিন্তু তাকে একজন গায়ক বলে গণ্য করতেই রাজী নন, সে যে গাইতে পারে আগে এমন কোনও প্রমাণও সে দেয়নি। যা হোক, অনেক পীড়াপীড়ির পর ছেলেটিকে গাইতে দেওয়া হল।

সেদিনের সেই তরুণ শ্রমিকটিই হলেন কমরেড কে. এস. জর্জ যিনি 'তোমরাই আমাকে কমিউনিষ্ট বানিয়েছ' এই সুপরিচিত মালয়ালাম নাটকের প্রধান গায়ক হিসেবে আজ সারা কেরালায় বিখ্যাত। তাঁর বহু গান রেকর্ড হয়েছে এবং তা শোনা যায় কেরালার সবত্রই। নিঃসন্দেহে বলা চলে, তিনি আজকালের কেরালার সবচেয়ে জনপ্রিয় গায়ক। 

আরেকজন শ্রমিক শিল্পী কেরালায় এখন নাম করেছেন। তিনি হলেন মালাবারের মিলাম্বারের বিড়ি শ্রমিক ই. কে. আয়ামু। তার নাটকটি "আপনি বরং চেষ্টা করুন একজন ভাল মানুষ হবার" একটি বাস্তবধর্মী-নাটক বলে মালাবারে অভিনন্দিত হয়েছে। এতে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে মালাবারের মোপলাদের সামাজিক জীবন, তাদের মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্কার আন্দোলন তথা মোপলা কৃষকদের জমির জন্য লড়াই-এর ঘটনা। নাটকে একজন ভিলেনের ভূমিকায় (কমিউনিষ্ট-বিরোধী মৌলভী যে তার প্রভুদের, মুসলমান জমিদার ও ধনিকের সেবা করতে ওয়াহাবী ও অন্যান্য মুসলমানদের মধ্যের পার্থক্যকে কাজে লাগাতে চেষ্টা করে) এবং পরবর্তীকালে মালাবারে চতুর্থ পার্টি কংগ্রেসের সময় তাকে ভলান্টিয়ার অফিসার হিসেবে ভলান্টিয়ার সংগ্রহ করতে ও শিক্ষা দিতে দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। 

জনগণের অ-কমিউনিষ্ট অংশের মনের ওপর তার নাটকের যে ছাপ পড়েছে, কংগ্রেস-ঘেঁষা দৈনিক 'মাতৃ-ভূমি'র এই প্রশংসাবাণী থেকেই তা পরিমাপ করা যায়-"নিলাম্বর ইয়ুথ আর্টস ক্লাব দু'দিন ধরে কড়িকোড টাউন হলে 'আপনি বরং চেষ্টা করুন একজন ভাল মানুষ হবার' নামে যে নাটকটি মঞ্চস্থ করলেন, যারা নামজাদা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠনের বহু সেরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে অভ্যস্ত, সেই শহরবাসীদের পক্ষেও ছিল একটা মহোৎসব। নাটকটিতে আগাগোড়া এর্ণাদ মোপলাদের যে কথ্যভঙ্গী ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা ছিল আশ্চর্যরকম স্বাভাবিক। নাট্যকার সাধারণ শ্রমিক। তিনি নিজে একজন ওয়াহাবী মৌলভীর ভূমিকায় অভিনয় করেন। আরেকটি সাধারণ মানুষ অভিনয় করেন হাজিয়ারের ভূমিকা। যাঁরা একবার তাঁদের অভিনয় দেখেছেন, তাঁরা কখনও ঐ দুটি চরিত্রকে ভুলতে পারবেন না! যাঁরা দেখেছেন, এ নাটক তাদের সুযোগ দিয়েছে, গাঁয়ের গরীব মানুষদের-বিশেষ করে এ দেশের মাটিতে যে মোপলারা জীবিকার সংস্থান করে, তাদের জীবন ও মনের কথা পুরোপুরি জানবার ও বুঝবার।” 

কমিউনিষ্ট পার্টির নেতৃত্বে সংগ্রামী শ্রমিকের প্রতিভাদীপ্ত শিল্পীরূপে বিকাশের এ দুটি যেমন দৃষ্টান্ত, তেমনি একজন অ-কমিউনিষ্ট মেহনতী মানুষের কেরালার একজন নামকরা শিল্পী হয়ে ওঠারও তৃতীয় আর একটি দৃষ্টান্ত রয়েছে। ইনি হচ্ছেন কে. টি. মহম্মদ। পেশায় একজন ডাক-পিওন। তিনি ১৯৫২-৫৩-তে সর্বভারতীয় ছোটগল্প প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার প্রাপ্ত হন। তিনি কয়েকটি নাটকের লেখক। তার একটিতে, 'এই হল পৃথিবী' নাটকটিতে মালাবারের মুসলমানদের মধ্যে সংগ্রামের বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এবং কেরালা সাহিত্য-পরিষদের গত বছর অধিবেশনে যখন এটি মঞ্চস্থ করা হয়, তখন এযাবত মালয়ালামে যত নাটক লিখিত হয়েছে, তার মধ্যে এটি একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক বলে অভিনন্দন পায়।

তাঁর মত শিল্পীর প্রতিভা বিকাশ করা যে কত কঠিন, তা শ্রীমহম্মদ সম্প্রতি তাঁর সহকর্মীরা, মাদ্রাজের ডাককর্মীরা যে সম্বর্ধনার আয়োজন করেন, সে সম্বর্ধনার উত্তরে এক ভাষণে বলেন: "আট ঘণ্টা কাজের পর যে ডাককর্মী ঘরে ফেরেন, তিনি রাত ১১টার আগে লেখা-পড়ার কাজ শুরু করতে পারেন না। স্বভাবতঃই তার স্বাস্থ্য দিনে দিনে ভেঙ্গে পড়ে। তাছাড়া ডাককর্মী যে গল্পই লিখুন, সেটাই তাকে সুপারিন্টেন্ডেন্টের মারফত পোষ্টমাষ্টার জেনারেলের কাছে দাখিল করতে হয়, যাতে গল্পটি ছাপানোর অনুমতি মেলে।” শ্রীমহম্মদের ধৈর্য ও প্রতিভা প্রশংসনীয় যে এই সব বাধা অতিক্রম করে কেরালার অন্যতম লেখক ও শিল্পী হয়ে উঠেছেন।

সংগঠিত শ্রমিক শ্রেণির সৃষ্টি

শ্রমিক শিল্পীর এই তিনটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্তের পেছনে আরও শত শত শিল্পী রয়েছেন, যাঁরা এঁদের মত নামজাদা না হতে পারেন কিন্তু তথাপি কেরালার সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক বিকাশের নতুন ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিগন্তের তারাও সমানই পরিচয়বাহক। জর্জ, আয়ামু ও মহম্মদের ক্ষেত্রে যেমন-তেমনি অন্যান্য শ্রমিক-কৃষক শিল্পীদের ব্যাপারেও, যে-সব কবি, ছোটগল্প লেখক, নাটকের প্রডিউসর ও অভিনেতা, গায়ক ইত্যাদি মেহনতী মানুষের স্তর থেকে এসেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে যে সাংস্কৃতিক কার্যকলাপ এখন আর উচ্চ শ্রেণির বৃদ্ধিজীবীদের সংকীর্ণ চক্রের মধ্যে সীমিত নেই। 

মেহনতী মানুষদের মধ্যে সাংস্কৃতিক কার্যকলাপের এই ব্যাপক প্রসারের কৃতিত্ব অবশ্য বিগত ২৫ বছরে ক্রমবর্ধমান ট্রেড ইউনিয়ন, কিষাণ-সভা ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক গণসংগঠনের প্রাপ্য। কারণ, শ্রমিক-কৃষক-জনসাধারণের এই শ্রেণি চেতনার জাগরণ, আশুদাবি আদায়ের জন্য ও সুদূরবর্তী লক্ষ্যে পৌঁছতে তাদের সংগ্রাম, একটা আশা ও আত্মবিশ্বাসের জন্ম দেয় যে শুধু যদি তারা দেশের গণতান্ত্রিক এবং দেশপ্রেমিক শক্তির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে, তাহলে সামনে তাদের গৌরবোজ্জ্বল ভবিষ্যত, সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি সম্পর্কে এই ধারণা, এ সব কিছুই যুগ যুগ ধরে যে প্রতিভা চাপা পড়েছিল, হাজার হাজার সাধারণ মানুষের মধ্যে সেই সুপ্ত প্রতিভা জাগিয়ে তুলল। অন্যভাবে বলতে গেলে, শ্রমিক ও কৃষকদের একটি স্বাধীন শক্তি হিসেবে অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রবেশই তাদের কাছে সাংস্কৃতিক জগতের দরজাও উন্মুক্ত করে দিল।

শুধু শিল্পের ক্ষেত্রেই নয়, প্রকৃতি ও সমাজ-বিজ্ঞানেও সংগঠিত শ্রমিক-শ্রেণি ও কৃষক আন্দোলন প্রসারের একটা প্রভাব পড়ল। ট্রেড ইউনিয়ন, কিষাণ সভা ও মেহনতী মানুষের অন্যান্য গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলির প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল নৈশ বিদ্যালয়, পাঠাগার, রিডিং রুম ও স্টাডিক্লাস সংগঠিত কর। অর্থনীতি, সমাজ-বিজ্ঞান ইত্যাদি শিক্ষা দেবার জন্য। এর ফলে গুরু বিষয়ের পড়াশুনো ও চর্চারও একটা উৎসাহের সৃষ্টি হয়, যেটা মালয়ালাম সাহিত্যে খুব কমই স্থান পেয়েছে।

এভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্ঞানার্জনের যে আগ্রহ জন্মাল, তারই ফলে এইসব বিষয়ে লেখকেরা যে-সব বই লিখলেন তা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রয় হয়ে গেল। কেরালার প্রকাশনা জগতেও একটা মৌলিক পরিবর্তন এল। যে সব প্রকাশিত গ্রন্থ এক সময় ৪/৫ বছর লাগত বিক্রী হতে, এখন তা একবছরেই নিঃশেষিত হয়ে যায়।

সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এই বিকাশে কমিউনিষ্ট পার্টির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। সেই ১৯৩০-এর প্রথমার্দ্ধ থেকে যখন কেরালার সমাজতন্ত্রীদের (যাঁরা তখন কেবল পথ হাতড়াচ্ছিলেন, পরে কমিউনিষ্ট পার্টিতে যোগ দেন) একটি ছোট দল গঠিত হয়, তখন থেকেই তাঁরা মেহনতী মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক অগ্রগতির সংগ্রামকে যুক্ত করতে চেয়েছেন। '৩০ এর প্রথম দিকে বিপ্লবী বিষয়বস্তুর উপর কিছু কবিতা ও ছোটগল্প রচিত হয়। '৩০ এর শেষার্দ্ধে যে দুটি নাটক বিভিন্ন জায়গায় মঞ্চস্থ হয় (তার একটিতে কৃষক সংগ্রাম অপরটিতে শ্রমিক ধর্মঘটের কথা বলা হয়েছে), কেরালায় কমিউনিষ্ট আন্দোলনের সেই প্রথম দিনগুলিতে যে ক'টি পুস্তিকা ও পাঠ্য- তালিকা (ষ্টাডি কোর্স) বের হয়- ফ্যাসীবিরোধী যুদ্ধের দিনে, যুদ্ধোত্তর বিপ্লবী অভ্যুত্থান ও স্বাধীনতার প্রাপ্তির পর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রসারের সময় ঐ প্রচেষ্টা বহুগুণ বেড়ে যায়।

কেরালার জনগণের সাংস্কৃতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে কমিউনিষ্ট পার্টির মোট অবদানের হিসেবে ধরতে হবে কয়েক হাজার কবিতা ও গান, শত শত ছোট গল্প ও নাটক, সহজবোধ্য ভাষায় বিজ্ঞান সম্পর্কিত বহু পুস্তক ও পুস্তিকা। এ গুলোর খুবই চাহিদা, মালয়ালাম সাহিত্যে যেটা অভূতপূর্ব। শত শত স্থানীয় সাংস্কৃতিক স্কোয়াড গঠনেও কমিউনিষ্ট পার্টি উৎসাহ জুগিয়েছে আর এ স্কোয়াড গুলি হয়ে দাঁড়িয়েছে কেরালার শহর ও গ্রামের সামাজিক জীবনের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ।

কমিউনিষ্ট পার্টির নিজের এই অবদান এবং কমিউনিষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মীরা প্রগতিপন্থী লেখক সমিতি, কেরালা সাহিত্য পরিষদ, কলা সমিতি ইত্যাদি সংযুক্ত সাংস্কৃতিক সংগঠনে যে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন, যারা সংস্কৃতিকে প্রচারের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে বলে পার্টিকে অভিযুক্ত করে, পার্টির সেই শত্রুরাও স্বীকার করে। পার্টি যে কায়দায় যে ধরনে সংস্কৃতিকে ব্যবহার করে। কমিউনিষ্ট বিরোধী প্রচারে তারা নিজেরাও সেটা অনুকরণ করে প্রকারান্তরে পার্টি'কেই সম্মান দেয়। কিন্তু পার্টি'র এই অবদানের মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান হল এই যে পার্টি সাধারণ মেহনতী নরনারীর সুপ্ত প্রতিভাকে উন্মোচিত ও বিকাশসাধন করেছে এবং এভাবে ভিত্তিস্থাপন করেছে একটি সত্যিকারের গণসংস্কৃতির।

কেরালার মেহনতী জনগণের সাংস্কৃতিক বিকাশের কথা এখানে যা বলা হয়েছে, সেটা অন্যান্য প্রদেশ সম্পর্কেও খাটে। হতে পারে কোন কোন প্রদেশে কম বেশী এটা ঘটেছে কিন্তু বাস্তব ঘটনা এই যে যেখানেই কমিউনিষ্ট পার্টি' জনগণের মধ্যে শিকড় গেড়েছে, যেখানেই তারা হয়েছে শ্রমিকশ্রেণি ও কৃষকদের সংগঠক ও নেতা, সেখানেই পার্টি' মেহনতী মানুষদের সাংস্কৃতিক উন্নতির কাজে নজর দিয়েছে। এরই ফলে সম্ভব হয়েছে মারাঠীতে কিছু শ্রেষ্ঠ পোয়াড়া, অন্ধ্রে বড়কথা ও অন্যান্য প্রদেশে সঙ্গীত, নাটক ও অন্যান্য উৎকৃষ্ট শিল্পকাজ। কমিউনিষ্ট পার্টি'র এই সব সাংস্কৃতিক কার্যাবলী বিভিন্ন ভাষায় যেমন সংস্কৃতিকে এগিয়ে দিয়েছে, যেটা পার্টি' বিরোধীরাও স্বীকার করে নেয়, তেমনি সাহায্য করেছে সংগঠিত শ্রমিক কৃষক আন্দোলনকে। তাই প্রতিটি প্রদেশে এটা আমাদের কর্তব্য হবে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে পার্টির এই সাফল্যকে বজায় রেখে তাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।


শেষ পর্ব আগামীকাল


প্রকাশের তারিখ: ২৫-জুলাই-২০২৪
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:


আপনার মতামত

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।



অন্যান্য মতামত:

সুন্দর নিবন্ধ। অনেক অজানা জানা গেল। এমন আরো অনেক লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
- সুজিৎ রায় , ২৬-জুলাই-২০২৪


Donate Now
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
ইতিহাস বিভাগে প্রকাশিত ১৫১ টি নিবন্ধ
২৫-মে-২০২৬

২২-মে-২০২৬

১৯-মে-২০২৬

০৫-মে-২০২৬

০১-মে-২০২৬

২২-এপ্রিল-২০২৬

১০-মার্চ-২০২৬

১০-মার্চ-২০২৬

২৮-ফেব্রুয়ারি-২০২৬

২৩-জানুয়ারি-২০২৬