সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
জ্যোতি বসু
খবর পেলাম, চট্টগ্রামে বিপ্লবীরা অস্ত্রাগার দখল করেছেন। সশস্ত্র ব্রিটিশ রাজশক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুকে তুচ্ছ করে অসীম সাহসী লড়াই চালাচ্ছেন সহায়-সম্বলহীন দেশপ্রেমিক বিপ্লবীরা। আমি তখন সেন্ট জেভিয়ার্সে এইটথ্ স্ট্যান্ডার্ডের ছাত্র। মনে নাড়া দিয়েছিল এই ঘটনা। আমাদের স্কুলে তো কেউ বিশ্বাসই করতে পারেনি যে বাঙালি যুবকরা একাজ করেছে। পরে নিঃসংশয় হওয়া গেল যে এটা তাঁদেরই কাজ। সেন্ট জেভিয়ার্সের ফাদাররা এই ঘটনার নিন্দা করে তখন লিফলেট দেন। লিফলেট বিলির সময় আমি প্রতিবাদ করি। আমি বললাম, ওঁরা দেশের জন্য কাজ করছেন। স্কুল কেন ওঁদের বিরুদ্ধে লিফলেট দেবে?
...more১৫-আগস্ট-২০২৬
জ্যোতি বসু
১৯৫২ সালে এল প্রথম সাধারণ নির্বাচন। এরকম একটা দুর্যোগের অবস্থা থেকে সবে পার্টি বেরিয়েছে। কিন্তু নির্বাচন ঘোষিত হতেই কাকাবাবু সমস্ত শক্তি নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা বললেন। একটা বড়ো রাজনৈতিক সংগ্রাম হিসেবে নির্বাচনকে নিতে তিনি বললেন। আমাকে প্রার্থী করার যখন কথা হল, তখন আমি কাকাবাবুকে বলেছিলাম, '৪৬ সাল থেকে এমএলএ আছি। এবার পার্টির কাজেই বেশি সময় দিই, আমাকে আর এমএলএ না করাই ভাল। কাকাবাবু শুনলেন না। আমাকে বললেন, আপনাকে এমএলএ হতে হবে। দেখলাম, কাকাবাবু এতকাল কঠিন অবস্থার মধ্যে আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনায় যেমন পারদর্শী, তেমনই নির্বাচনে পার্টির দায়িত্বপালনেও সমান পারদর্শী। নিখুঁতভাবে তিনি নির্বাচন পরিচালনা করতেন। ...more
০৪-আগস্ট-২০২৬
জ্যোতি বসু
গুজরাটের ঘটনাবলীর ওপর দেশের অধিকাংশ সংবাদপত্র ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিনিধিদলের বক্তব্য এবং পার্লামেন্টের উভয় সভায় বিতর্কে যে সমস্ত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে সেগুলির ভিত্তিতে আমার কিছু মন্তব্য করার রয়েছে। আমি দুঃখিত, লজ্জিত এবং ক্ষুব্ধও; কিন্তু বিমূঢ় নই অন্ধকারের এই শক্তিগুলিতে। গোধরায় করসেবকদের ওপর কিছু সংখ্যক অপরাধী ব্যক্তির নারকীয় আক্রমণের পরবর্তীকালে, রাজ্য বিজেপি সরকারের মদতে এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের মৌন সম্মতিতে সমগ্র মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর যে বর্বর অভিযান চালানো হয় সেই নৃশংসতার বিরুদ্ধে ঐকমত্য গড়ে ওঠার ঘটনা অবশ্যই আশাপ্রদ। গণতন্ত্র ও সভ্যতার জয় হবে নিশ্চয়। ...more
১৭-জানুয়ারি-২০২৬
জ্যোতি বসু
অনেক লড়াই-আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে শ্রমিকশ্রেণি ধর্মঘট করার অধিকার অর্জন করেছে। এই অর্জিত অধিকার আপনারা কখনও কারো হাতে ছেড়ে দেবেন না। এমনকি, ধর্মঘটের অধিকার আপনারা বামফ্রন্ট সরকারের হাতেও তুলে দেবেন না। প্রথমে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই শ্রমিক ও মালিকদের বিরোধ মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। কিন্তু প্রয়োজন হলে ধর্মঘট করতে হবে। ...more
০৮-জুলাই-২০২৫
জ্যোতি বসু
বিপ্লবের সাফল্যের অনেকগুলি পূর্ব শর্ত আছে। একটি পূর্ব শর্ত হলো- এই বিপ্লব কমিউনিস্ট পার্টির, অর্থাৎ মার্কসবাদী-লেনিনবাদী পার্টির চূড়ান্ত ভূমিকা। জনগণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠনের সংগ্রাম পরিচালনাকালে আমাদের পার্টি সংগঠনকে শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত করার জন্য সচেতন প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। পার্টি সভ্যদের মার্কসবাদী-লেনিনবাদী তত্ত্ব অনুশীলন করতে হবে এবং এই তত্ত্বকে দেশের বাস্তব অবস্থায় প্রয়োগের জন্য সচেষ্ট হতে হবে। মার্কস, এঙ্গেলস ও লেনিন আমাদের শিখিয়ে গেছেন কীভাবে তাঁদের তত্ত্ব অনুশীলন ও প্রয়োগ করতে হবে। ...more
১৯-জানুয়ারি-২০২৫
জ্যোতি বসু
পুঁজিবাদী বিশ্ব ব্যবস্থা তার অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং উৎপাদন সম্পর্ক ও উৎপাদন শক্তির মধ্যে সংঘাত সত্ত্বেও আপনা থেকে ভেঙে পড়বে না। শুধুমাত্র বাস্তব অবস্থা তৈরি হলেই বিপ্লব হয় না- এই বিপ্লব সমাধা করার জন্য চাই সচেতন চালিকা শক্তি। "দার্শনিকগণ বিশ্বের ব্যাখ্যা করেছেন- এখন প্রশ্ন হলো এর পরিবর্তন"- মার্কস ও এঙ্গেলস-র এই কথাগুলি ভুলে গেলে চলবে না। মার্কস ও এঙ্গেলস তাঁদের রচিত কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তেহার-এ (১৮৪৮) বলেছেন: পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা বুর্জোয়াশ্রেণীরই শুধু জন্ম দেয়নি, এই শ্রেণীর শোষণ প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিরও জন্ম দিয়েছে। সেই শক্তি হলো- আধুনিক সর্বহারাশ্রেণী। ...more
১৮-জানুয়ারি-২০২৫
জ্যোতি বসু
মার্কসবাদ একটি বিজ্ঞান। ডারউইন যেমন প্রকৃতির বিকাশের নিয়ম আবিষ্কার করেছিলেন তেমনি মার্কস আবিষ্কার করেছেন সমাজ বিকাশের নিয়ম। কার্ল মার্কস মৃত্যু শতবর্ষ পালনকালে আমাদের মার্কস-র এই বৈজ্ঞানিক অবদানের কথা স্মরণ করতে হবে। মার্কস ও এঙ্গেলস সমাজ বিকাশের গতি-প্রকৃতির বিস্তারিত অনুশীলন ও গবেষণার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে এসেছিলেন, কমিউনিজম অবশ্যম্ভাবী, এটা কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের মস্তিষ্কপ্রসূত কল্পনা নয়। মার্কস ও এঙ্গেলস-র বৈপ্লবিক তত্ত্বের সাথে পরিচিত হতে হলে এবং সেই তত্ত্বকে দেশের বাস্তব ও সুনির্দিষ্ট অবস্থায় প্রয়োগ করতে হলে প্রথমেই জানা প্রয়োজন- সমাজতন্ত্র কীভাবে বিজ্ঞানে পরিণত হলো। ...more
১৭-জানুয়ারি-২০২৫
জ্যোতি বসু
মার্কসবাদী হিসাবে আমি মার্কসকে কখনো দেবতারূপে পূজা করিনি, অথবা তাকে কোনো বেদীর ওপর প্রতিষ্ঠা করিনি। আমাদের মতো মার্কসবাদীদের কাছে কার্ল মার্কস কোনো দেবতা নন। তিনি ছিলেন এক প্রতিভা, কিন্তু রক্ত-মাংসের মানুষ। মার্কস হামবুর্গে, ডবলিউ ব্লস-র কাছে লিখেছিলেন, "যখন এঙ্গেলস্ এবং আমি গোপন কমিউনিস্ট সোস্যাইটিতে যোগ দিয়েছিলাম, আমরা একটা শর্ত করেছিলাম যে, কর্তৃত্বের মধ্যে কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিশ্বাসে উৎসাহ প্রদানকারী সমস্ত বিষয়কেই কার্যবিধি থেকে নির্মূল করতে হবে।" ...more
০৮-জুলাই-২০২৪
জ্যোতি বসু
আমাদের যে সংবিধান আছে তা হলো ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। তার জন্য আমরা গর্বিত। এটা হওয়া উচিত। আমাদের পাশে অনেক প্রতিবেশী রাষ্ট্র আছে, এখানটা সেখানকার মতো নয়। সেখানে কোনও একটা ধর্ম আছে, সেটা কোনও একটা ধর্মের রাষ্ট্র। এটা আমরা চাই না, এটাই আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। আমরা দেখেছি ভারতবর্ষের নির্বাচনে এই জিনিস থাকেনি। নানা সংস্থা আছে, যারা ধর্ম এবং রাজনীতি মিলিয়েছেন এবং বিশেষ করে রাম জন্মভূমি এবং বাবরি মসজিদ নিয়ে। ...more
১৭-জানুয়ারি-২০২৪
জ্যোতি বসু
৩১-অক্টোবর-২০২৩
জ্যোতি বসু
কিন্তু তখনও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিপদ কাটেনি। জাপানের পর চীনের চিয়াং কাইশেকের সশস্ত্র বাহিনী আক্রমণ চালাল, এরপর ফ্রান্স এসে আবার ভিয়েতনামকে পদানত করার চেষ্টা করে। ১৯৪৬ সাল থেকে ৯ বছর ধরে চলে বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধযুদ্ধ। ইতিহাসের পাতায় ভিয়েতনামের জনগণের এই বীরত্ব স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এই সময় ভিয়েতনাম আর একা নয়, তার পাশে এসে দাঁড়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশ। গোটা পৃথিবীর মানুষ ভিয়েতনামের সংগ্রামের সমর্থনে দাড়ায়। কঠিন অবস্হার মধ্যে অবর্ণনীয় ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে ভিয়েতনামের জনগণ বিজয় অর্জন করেন। এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন হো চি মিন। ...more
০২-সেপ্টেম্বর-২০২৩
জ্যোতি বসু
গ্রামাঞ্চলে সাধারণ গরিব মানুষের স্বার্থে এই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে যে পরিকল্পনার প্রচেষ্টা, এর রচনা ও রূপায়ণের মূল দায়িত্ব কাদের নিতে হবে? নিতে হবে গরিব মানুষদের নিজেদেরই এবং সংগঠনের মাধ্যমে। এমন সংগঠনের মাধ্যমে যা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত এবং যথেষ্ট বিকেন্দ্রীকরণের ভেতর দিয়ে স্থানীয় সমস্যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এ প্রসঙ্গেই ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার— জেলাস্তরে জেলা পরিষদ (মোট সংখ্যা ১৫), ব্লক স্তরে পঞ্চায়েত সমিতি (মোট সংখ্যা ৩৩৯) এবং অঞ্চল স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত (মোট সংখ্যা ৩৩০৫)-র যৌক্তিকতা ওঠে। ...more
২৫-আগস্ট-২০২৩
জ্যোতি বসু
কিন্তু, তারপর রাজ্য স্তর থেকে বিশেষ সাংগঠনিক প্রয়াস নেওয়ার ফলে পঞ্চায়েত, ব্যাঙ্ক ও সরকারী প্রশাসনের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় আনা সম্ভব হয়েছে এবং রূপায়ণের ক্ষেত্রে বিশেষ উন্নতি লক্ষ করা গেছে। গোড়ার বছরগুলি নিয়ে সমগ্র ষষ্ঠ পরিকল্পনায় পাঁচ বছরের হিসাব নিলে হয়তো এই সামগ্রিক উন্নতির চিত্র পরিষ্কার হবে না। কিন্তু প্রথম কিছু বছর বাদ দিলে গত তিন বছরে এই প্রকল্পের এক বিশেষ উন্নতি চোখে পড়ে। এই উন্নতির হার এত বেশি যে... ...more
০৮-জুলাই-২০২৩
জ্যোতি বসু
এই শ্বাসরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে আমাদের মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে। তাই আমরা আক্রান্ত শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্ত জনগণকে সচেতন করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি। একাজে এই রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমাদের অনেক আশা। তাঁরা অতীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামের ঐতিহ্য রচনা করে গেছেন। আজ ব্যাপক জনগণের সঙ্গে লেখক-শিল্পী-বুদ্ধিজীবীরাও আক্রান্ত। আপনাদের কাছে অনুরোধ ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র ও বিপন্ন মানবিকতার রক্ষার জন্য আপনাদের অসামান্য শক্তি নিয়ে এগিয়ে আসুন। বিবৃতি দিন, আপনাদের লেখার মধ্য দিয়ে, শিল্পের মধ্য দিয়ে, জনগণের উপর সীমাহীন নিপীড়নের কথা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দিন। সকলের সাহায্য নিয়ে আমরা নিশ্চয়ই এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারব আমাদের বিশ্বাস। ...more
০৬-জানুয়ারি-২০২৩
জ্যোতি বসু
প্রয়াত জননেতা জ্যোতি বসুর নিজস্ব কলমে এই প্রতিবেদনটি ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে রচিত হয়েছিল৷ প্রতিবেদনটি ছাপা হয়েছিল ইন্দো-সোভিয়েত জার্নালে৷ বাংলায় এটি আগে অনূদিত ছিল না৷ তাঁর রচনাবলীতেও এটি অন্তর্ভুক্ত হয়নি৷ অথচ, সংক্ষিপ্ত পরিসরে সাংবাদিকের নিরাসক্ত ভঙ্গিতে রচিত প্রতিবেদনটি পড়লে বোঝা যায় কত অনায়াসে তিনি সহজ করে রাজনৈতিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে পারছেন৷ যৌবনকালেই কত গভীর রাজনৈতিক প্রত্যয় ছিল তাঁর৷ ...more
০৭-নভেম্বর-২০২২
জ্যোতি বসু
কলকাতার ত্যাগরাজ হলে সিপিআই(এম)-র সপ্তম কংগ্রেস শুরু হয়েছিল ১৯৬৪-র ৩১ অক্টোবর। শেষ হয়েছিল ৭ নভেম্বর। অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে ডাঙ্গেপন্থীদের সংশোধনবাদী নীতির বিরোধিতা করে যাঁরা বেরিয়ে এসেছিলেন মার্কসবাদ-লেনিনবাদের ভিত্তিতে পার্টিকে পুনর্গঠিত করার সংকল্প নিয়ে তাঁরাই ছিলেন সপ্তম কংগ্রেসের উদ্যোক্তা। সপ্তম কংগ্রেসের শুরুর ঠিক আগেই পার্টির অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতার সঙ্গে তৎকালীন রাজ্য সম্পাদক প্রমোদ দাশগুপ্তকে গ্রেপ্তার করেছিল প্রফুল্ল সেন সরকারের পুলিশ। সপ্তম কংগ্রেসে আগত প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে এই ভাষণটি পাঠ করেছিলেন জ্যোতি বসু। ...more
৩১-অক্টোবর-২০২২
জ্যোতি বসু
মার্কসবাদের প্রয়োগ করতে গেলে সংশোধনবাদ সম্পর্কেও সজাগ থাকতে হবে, কেননা সংশোধনবাদ মার্কসবাদী চিন্তাধারার মূলগতভাবে পরিপন্থী। সমাজ পরিবর্তনে শ্রেণিসংগ্রামের ভূমিকা, শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্ব এবং সমাজতান্ত্রিক সমাজে উৎপাদনের উপকরণগুলির সামাজিক মালিকানা, শ্রেণিশোষণের অবসান, আন্তর্জাতিকতাবোধ এ সব কিছু হলো মার্কসীয় তত্ত্বের মূল কথা এবং মার্কসবাদের সৃজনশীল প্রয়োগের নামে এ সবকে কোনোভাবেই লঘু করা যায় না। ...more
২১-অক্টোবর-২০২২
















